NEW777D: দে পাউল: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে অধীর আগ্রহ, এমন ম্যাচ মনে অনেক আবেগ জাগায়
বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের আগে রদ্রিগো দে পাউল সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ তাঁকে সবসময় উদ্দীপ্ত করে; ইংল্যান্ডের মুখোমুখি প্রথমবার হওয়ায় তিনি উত্তেজিত ও অধীর। দুই দলের লড়াইয়ের বিশেষ তাৎপর্য প্রসঙ্গে দে পাউল জোর দিয়ে বলেন, আর্জেন্টিনা স্কালোনির নির্দেশ মেনে এটাকে একটা ফুটবল ম্যাচ হিসেবেই দেখবে এবং আশা করেন, ম্যাচ শেষে সব আর্জেন্টিনা সমর্থক খুশি থাকবেন।
বাইরে এই ম্যাচ নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে, সমর্থকদের পাঠানো বার্তা—সেগুলো কীভাবে আপনাদের কাছে পৌঁছায়? আপনারা কীভাবে সেগুলো অনুভব করেন? এই কয়েক ঘণ্টা কীভাবে কাটাচ্ছেন?
দে পাউল: সমর্থকরা যে শক্তি পাঠান, আমরা সেটা খুব ইচ্ছা করেই গ্রহণ করি। সত্যি বলতে, এটা একটা অনন্য ম্যাচ। এটা বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল, প্রতিপক্ষও খুব ভালো একটা দল। তাই আমি এখন খুব উদ্দীপ্ত, দ্রুত মাঠে নামতেও খুব আগ্রহী।
সবাই মনে করে আপনি এই দলের ইঞ্জিন, দলের হৃদয়—অথবা অন্তত সেই শক্তিশালী হৃদয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অবশ্যই আর্জেন্টিনার পুরো একাদশ আছে, মেসি আছেন, অন্য খেলোয়াড়রাও আছেন। জাতীয় দলের সেই কঠিন ম্যাচ ও ফাইনালগুলোতে আপনি প্রায় সবগুলোতেই ছিলেন—ইউরোপা-আমেরিকা কাপ, দুই কোপা আমেরিকা ফাইনাল, বিশ্বকাপ ফাইনাল তো বটেই। আমি জানতে চাই, আর্জেন্টিনা বনাম ইংল্যান্ডের এই ম্যাচ আপনার কাছে কী অর্থ বহন করে? আর আপনি কি মনে করেন, প্রথম একাদশে থাকবেন?
দে পাউল: সবাই জানে, আমি এমন ম্যাচ খুব পছন্দ করি—এগুলো আমাকে সবসময় উদ্দীপ্ত করে। নির্দিষ্ট করে বলাও কঠিন; এমন ম্যাচের একটা বিশেষ তাৎপর্য থাকে, মনে অনেক আবেগ জাগায়। তাই এখন আমি খুব আনন্দের সঙ্গেই এটাকে স্বাগত জানাচ্ছি।
ইংল্যান্ড এমন এক দল, যাদের বিপক্ষে আমি কখনো খেলিনি। তাই আমি খুশিও, উত্তেজিতও, একটু অধীরও। আগামীকাল যেন তাড়াতাড়ি আসে—সেটাই চাই। আর অন্য প্রশ্নটা—সত্যি বলতে, আমিও জানি না। কোচ এখনও স্টার্টিং একাদশ ঘোষণা করেননি; আপনারাও জানেন, তিনি আগামীকালই ঘোষণা করবেন। তাই আমি এখন শান্ত আছি।
স্কালোনি বাইরে যে বার্তা দিচ্ছেন: এটা শুধু একটা ফুটবল ম্যাচ। মনে হচ্ছে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই ম্যাচের তাপমাত্রা কমাচ্ছেন—কারণ আপনিও জানেন, এই লড়াই সব আর্জেন্টিনাবাসীর কাছে কী অর্থ রাখে। দলের ভেতরে কি এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে?
দে পাউল: হয়েছে, বার্তা একই। কোচ বাইরে ও ভেতরে একই কথাই বলেন। এটা অনন্য এক ফুটবল ম্যাচ—কারণ এটা বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল, প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটা তবুও একটা ফুটবল ম্যাচই।
আমরা চাই সমর্থকরা মাঠে আসুক, এই সুন্দর ম্যাচ উপভোগ করুক। আর ম্যাচ শেষে সব আর্জেন্টিনাবাসী যেন খুব খুশি থাকেন—সেটাও চাই।
প্রতিপক্ষ যখন আমাদের সমালোচনা করে, বা আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তোলে—আপনারা কি সেটা একেবারেই পাত্তা দেন না? নাকি সেই কণ্ঠস্বরই আপনাদের আরও শক্তি ও সাহস দেয়, পরের ম্যাচ জিততে?
দে পাউল: সত্যি বলতে, অন্যের মত নিয়ে আমি মন্তব্য করি না। ফুটবলের একটা আকর্ষণই হলো—এটা অনেক আলোচনা জাগায়; তাই এতে সমস্যা নেই। এই বিশ্বকাপে আমাদের পারফরম্যান্স এবং দল যে পথ পাড়ি দিয়েছে—তাতে আমরা খুব সন্তুষ্ট, শান্তও। আর আমরা জানি, দলের এখনও অনেক উন্নতির জায়গা আছে।
